শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:১১ পূর্বাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
কক্সবাজার বিমানবন্দরে নিরাপত্তা মহড়া: ঢাকা-কক্সবাজারগামী বিমানে বোমা, নিরাপদে যাত্রীদের উদ্ধার সোনারপাড়া সৈকতে ফুলেল মানচিত্রে খালেদা জিয়ার প্রতি ব্যতিক্রমধর্মী শ্রদ্ধা তাসনিম জারার মনোনয়নপত্র বাতিল সন্তানের প্রতি দ্বীনি দায়িত্ব পালনে ইব্রাহিম (আ.) মায়ের প্রতি দেশবাসীর ভালোবাসা ও বৈশ্বিক শ্রদ্ধায় তারেক রহমানের কৃতজ্ঞতা সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া আর নেই ঢাকা-১৭ আসনে তারেক রহমানের মনোনয়নপত্র জমা টেকনাফে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ড, ৬০টির বেশি ঘরবাড়ি পুড়ে ছাই রাতভর গোলাগুলির বিকট শব্দে মিয়ানমার সীমান্তে আতঙ্ক এনসিপি থেকে পদত্যাগ করলেন তাজনূভা জাবীন

করোনা ধরা পড়ায় লাপাত্তা দুই রোগী

বিশেষ প্রতিবেদক:
কক্সবাজার শহরের বার্মিজ মার্কেট ও বৈদ্যঘোনায় করোনা শনাক্ত হওয়া দুই রোগী
মোর্শেদ আলম (৪০) ও ইয়াসির আরাফাত (২৯) লাপাত্তা হয়ে গেছে।

করোনা ‘পজিটিভ’ হওয়ার পর থেকে তাদের মোবাইল ফোন বন্ধ। স্যাম্পল টেস্টের ডকুমেন্টে উল্লেখিত ঠিকানায় গিয়েও তাদের পাওয়া যায় নি।

যে কারণে দুই করোনা রোগীর সুনির্দিষ্ট বাসাবাড়ি বা ওই এলাকা লকডাউন করতে পারেনি স্থানীয় প্রশাসন। স্যাম্পল নিতে পারে নি স্বজনদের।

এ নিয়ে বার্মিজ মার্কেট ও বৈদ্যঘোনা এলাকার বাসিন্দারা উদ্বিগ্ন, আতঙ্কিত।

সদর উপজেলার স্বাস্থ্য প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, গত ১০ মে কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের ল্যাবে মোর্শেদ আলম (৪০) নামের একজনের করোনা পজিটিভ পাওয়া যায়। রোগির ঠিকানা বার্মিজ মার্কেট দিলেও সত্যতা মিলছে না।

এর আগে ৮ মে ইয়াসির আরাফাত (২৯) নামের আরেক করোনা রোগির ঠিকানা বৈদ্যর ঘোনা দিলেও সেখানে গিয়ে কোন সত্যতা পায় নি স্বাস্থ্যকর্মীরা।

যে কারণে এই দুই রোগির স্বজনদের মধ্যে করোনা রোগি আছে কিনা, তা নিশ্চিত হতেও স্যাম্পল নেয়া সম্ভব হচ্ছে না। এ খবরে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে স্থানীয়দের মধ্যে।

তবে, তারা আদৌ সঠিক ঠিকানা দিয়েছেন কিনা- সন্দিহান এলাকাবাসী।

ভয়েস/আআ

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION